৬ জুন, ২০২৪ — হাইকোর্টের বিতর্কিত রায়ের পর সরকারি চাকরিতে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিবাদে উত্তাল হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবাদের জোয়ার উঠে। একাধিক স্থানে প্রতীকী ব্লকেডের মাধ্যমে তারা তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং কোটা ব্যবস্থার প্রতি তাদের বিরোধিতা জানায়। এই প্রতিবাদগুলো মূলত কোটা ব্যবস্থার কারণে সৃষ্টি হওয়া বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছিল, যা মেধাভিত্তিক নিয়োগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। শিক্ষার্থীরা বলেন, এটি সমতার ও সামাজিক ন্যায়ের মূলনীতির বিরোধী। দেশজুড়ে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ পরবর্তীতে একটি বৃহৎ গণআন্দোলনে পরিণত হয়।
June 6, 2024 — Following the High Court’s controversial verdict reinstating the 30% freedom fighter quota in government jobs, students across the country erupted in protest. A wave of demonstrations swept through various universities and educational institutions. In multiple locations, students expressed their discontent through symbolic blockades, voicing strong opposition to the quota system. These protests were primarily against the inequality perpetuated by the quota policy, which many believed conflicted with a merit-based recruitment process. Students argued that it stood in opposition to the fundamental principles of equality and social justice. What began as scattered protests across the nation soon evolved into a large-scale mass
৫ জুন, ২০২৪ — এই দিনে হাইকোর্ট ২০১৮ সালে বাতিল হওয়া সরকারি চাকরির ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। এই রায় শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রবল ক্ষোভের জন্ম দেয়, যারা দীর্ঘদিন ধরে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার পক্ষে আন্দোলন করে আসছিল। বিতর্কিত রায়টি ২০১৮ সালের একটি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে নতুন করে সামনে আনে—যেখানে ছাত্রছাত্রীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল। কিন্তু পুনরায় সেই কোটা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত অনেকের চোখে একটি মেধাবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে ধরা পড়ে। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামে, ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশের ক্যাম্পাসে জ্বলে ওঠে প্রতিবাদের আগুন। এটি কেবল একটি শিক্ষার্থী আন্দোলন ছিল না—পরবর্তী সময়ে এটি রূপ নেয় একটি বৃহৎ গণআন্দোলনে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক তৈরি করে।এই আন্দোলন ছিল কেবল চাকরির কোটা নিয়ে নয়—এটি ছিল ন্যায্যতা, সমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার নিয়ে একটি লড়াই।
On June 5, 2024, the High Court ordered the reinstatement of the 30% freedom fighter quota in government jobs, which had been abolished in 2018. This verdict sparked strong anger among students, who had long been advocating for a merit-based recruitment system. The controversial ruling brought back the context of the 2018 movement, during which students had taken to the streets demanding quota reform. However, the decision to restore the quota was seen by many as a step against meritocracy. Students protested across the country, from Dhaka to campuses nationwide, igniting a wave of demonstrations. This was not merely a student movement—it later evolved into a massive popular uprising, marking a significant turning point in Bangladesh’s political history. This movement was not just about the job quota; it was a fight for justice, equality, and the rights of future generation.
ফেনী জেলা ‘আহত যোদ্ধাদের পাশে বাংলাদেশ’। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ফেনী জেলার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আন্তরিক সহযোগিতায় এই মানবিক উদ্যোগের প্রভাব আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো আহত যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করা। এই পরিবারগুলো চরম কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছে, আর তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন দীর্ঘমেয়াদে এমন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা আশাবাদী, এই উদ্যোগ কেবল ফেনীতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়বে। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষ এই মহৎ উদ্যোগে যুক্ত হবেন এবং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজে মানবিক পরিবর্তন আনবেন। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের ঐক্য ও দায়িত্ববোধের প্রতীক, যা দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Feni District “Bangladesh Stands Beside the Injured Fighters.” In honor of the brave individuals injured during the July Uprising, financial assistance is being provided for their medical treatment. Thanks to the active participation and sincere cooperation of the people of Feni District, the impact of this humanitarian initiative has multiplied significantly. The main objective of this initiative is to express our empathy and sense of responsibility towards the injured fighters and their families. These families are going through extreme hardship, and it is our moral duty to stand beside them. July Shaheed Smriti Foundation* is committed to continuing such efforts in the long term. We are hopeful that this initiative will not remain confined to Feni alone but will spread to other parts of Bangladesh. In the future, more people will join this noble cause, standing beside one another and bringing about meaningful humanitarian change in society. Such initiatives are symbols of our unity and sense of responsibility, playing a vital role in national development and social protection.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে—ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই পথ ধরে Better Bangladesh তৈরি করছে ন্যায়ের পক্ষে একটি সমাজ। আহত ইয়াসির মিয়া, আহত মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ও শহীদ মোহাম্মদ সোহেল এর পরিবারকে সহায়তা দিয়ে তারা দেখিয়েছে—মানবতার পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত পরিবর্তনের শুরু। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন সকলকে আহ্বান জানায়—আসুন, আমরা সবাই একসাথে এগিয়ে আসি।
The July Uprising taught us that unity is the greatest strength. Following that path, Better Bangladesh is building a just society. By supporting the injured Yasir Mia, injured Mohammad Ariful Islam, and the family of martyr Mohammad Sohel, they have shown that standing by humanity is the true beginning of change. The July Shaheed Smrity Foundation calls upon everyone— Let us all come forward.
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন-এ ডোনেট করতে: 👉 https://jssfbd.com/donation/ 📞 হটলাইন: ১৬০০০
আহত গণঅভ্যুত্থানযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগ আরও কার্যকর হচ্ছে।সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী,২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধারা এখন থেকে সরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ইনস্টিটিউশনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ট্রমা চিকিৎসা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে এবং আহত ও শহীদ পরিবারগুলোর সম্মান ও অধিকার রক্ষায় জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ফাউন্ডেশনের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই দীর্ঘদিন অবহেলিত ও বঞ্চিত এই বীর সন্তানদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তা নিশ্চিত হতে শুরু করেছে। আসুন, শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আহত যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াই এবং তাঁদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করি।
The government’s initiative for the treatment and rehabilitation of the injured fighters of the mass uprising is becoming more effective. According to the recent directive from the Health Services Division, the injured fighters of the historic July-August 2024 mass uprising will now receive free trauma treatment and primary healthcare services at government hospitals, clinics, and institutions. July Shaheed Smriti Foundation** has been playing a vital role in implementing this initiative and in protecting the dignity and rights of the injured and the families of the martyrs. Thanks to the relentless efforts of this foundation, long-neglected and deprived heroes are finally beginning to receive the state support they deserve. Let us honor the sacrifices of the martyrs by standing beside the injured fighters and ensuring their rightful entitlements.
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আহত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে।আহত শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আপনি যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হন এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত হয়ে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের ফর্মটি যথাযথ তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। Link:- https://docs.google.com/…/1FAIpQLSdsfHX…/viewform… আপনার অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ সহায়তা কার্যক্রমে সহায়ক হবে।
July Shaheed Smriti Foundation is collecting information on injured students currently studying at various universities.The foundation has already taken several important initiatives to support those who were injured. If you are a university student and were injured during the July–August mass uprising, please fill out the form below with accurate information. Link: https://docs.google.com/…/1FAIpQLSdsfHX…/viewform Your participation will contribute to future support efforts.
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে “শিশু-কিশোরদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার” শীর্ষক তিন দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের আয়োজনে, “শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম” প্রকল্পের আওতায় ৩০ মে থেকে ১ জুন ২০২৫ পর্যন্ত এই কর্মশালায় বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টিভি চ্যানেল এবং সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত কমিউনিটি রেডিওর কিশোর-কিশোরীরা অংশগ্রহণ করেন। “July Shaheed Smrity Foundation”-এর পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন: ১। শহীদ জাবির ইব্রাহীমের ভাই – জুবায়ের মাহতাব আব্দুল্লাহ ২। শহীদ শাফিক উদ্দিন আহমেদের ভাই – ইফতেখার আহমেদ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটকে এই সময়োপযোগী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও July Shaheed Smrity Foundation-কে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারদের জন্য বিশেষভাবে চাকরি ও পুনর্বাসনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। অনুগ্রহ করে নিচের লিংক থেকে ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন এবং এই উদ্যোগের অংশ হন। লিংক – https://docs.google.com/…/1FAIpQLSc9E7XJ46xGzu…/viewform
Rehabilitation Form for the Injured Fighters and Families of Martyrs from the July-August Uprising Under the initiative of the July Shaheed Smriti Foundation, special employment and rehabilitation opportunities are being arranged for the injured fighters and families of martyrs. Please fill out the form with accurate information from the link below and be a part of this initiative. Link: https://forms.gle/b9uv4nrYLV4S9du1A
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন, জুলাই চত্বরে স্থাপিত স্টলে, আমাদের গৌরবময় ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে। আপনি যদি জুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ছবি বা ভিডিও ধারণ করে থাকেন, এগুলো স্টলে জমা দিয়ে এই ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অংশ হয়ে উঠতে পারেন।
আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত অরাজনৈতিক বইগুলোও স্টলে অনুদান হিসেবে জমা দেওয়া যাবে। এসব বই বিপ্লবী চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বই বিক্রয় থেকে অর্জিত অর্থ ফাউন্ডেশনে অনুদান হিসেবে জমা হবে।
আমাদের সকল শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের স্টলে উপস্থিত হওয়ার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তাদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা স্মরণ করাই আমাদের দায়িত্ব।
আসুন, একসাথে ইতিহাসের স্মৃতি সংরক্ষণ করি এবং আগামী দিনের জন্য এই ত্যাগ ও সংগ্রামের গৌরবময় অধ্যায় তুলে ধরি। আপনার উপস্থিতি এবং অবদান আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
Take part in preserving the glorious memories of the July Movement!
The July Martyrs Memorial Foundation has set up a stall at July Square to highlight our glorious history for future generations. If you have captured significant photos or videos of the July Movement, you can submit them at the stall and become a part of this historic chapter.
Books related to the movement, which are non-political, can also be donated to the stall. These books will play an important role in fostering revolutionary spirit. The proceeds from book sales will be donated to the foundation.
We warmly invite all martyr families and injured fighters to visit the stall. Honoring their sacrifices and bravery is our responsibility.
Let us come together to preserve the memories of history and showcase this glorious chapter of sacrifice and struggle for future generations. Your presence and contributions will enrich our efforts even further.
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন সবসময় শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযোগ্য সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে গ্রহণ করে এবং তাদের পাশে থাকার পাশাপাশি তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করার অঙ্গীকারবদ্ধ। শহীদ পরিবারগুলো আজও বেদনায় ভারাক্রান্ত—কেউ ভাই হারিয়েছেন, কেউ বাবা, কেউ স্বামী, আবার কেউ হারিয়েছেন প্রিয় সন্তান। এই অপূরণীয় ক্ষতি নিয়ে শোকগ্রস্ত পরিবারগুলোর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী শহীদ পরিবারগুলোকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এসব অপতৎপরতার অংশ হিসেবে, কুচক্রী মহল বা গোষ্ঠীগুলো জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের নাম ব্যবহার করে ভুয়া কার্ড ও সিল তৈরি করছে এবং শহীদ পরিবারগুলোকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত করার চেষ্টা করছে।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের নজরে এই প্রতারণার বিষয়টি এসেছে, এবং ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষ দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এ ধরনের প্রতারণা রুখতে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে, প্রতারকদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে। শহীদদের স্মৃতি নিয়ে কোনো ধরনের প্রতারণা ফাউন্ডেশন কখনোই বরদাস্ত করবে না এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেবে না।
ফাউন্ডেশন থেকে শহীদ পরিবার এবং সাধারণ মানুষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে—এই ধরনের কুচক্রী মহলের প্রলোভনে কখনো প্রভাবিত হবেন না। শহীদ পরিবারগুলোর কোনো সমস্যা বা অসুবিধার কথা ফাউন্ডেশনকে জানাবেন। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন সব সময় আপনাদের পাশে থাকার এবং আপনার সমস্যাগুলোর সমাধান করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।
শহীদদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন তাদের পরিবারের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। আসুন, আমরা সবাই একত্রিত হয়ে শহীদদের সম্মান রক্ষা করি এবং যে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই।
বি দ্র: এ ধরেন কোনো অনৈতিক কার্যক্রম চোখে পড়লে অনুরুধ থাকবে যেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অফিসে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।
Here’s the English translation, customized to approximately 2,200 characters: The July Shaheed Smrity Foundation always honors martyr families and the injured with the utmost respect and dignity. It is committed to standing by them and providing wholehearted support. These families are still grieving the irreparable loss of their loved ones—some have lost a brother, some a father, others a husband, and many a beloved child. Taking advantage of their grief and vulnerability, certain conspiratorial groups or self-serving entities are trying to manipulate these families for their own gains. As part of this malicious scheme, these groups or individuals are using the name of the July Shaheed Smrity Foundation to produce fake cards and seals, attempting to mislead and persuade martyr families into unethical activities. The July Shaheed Smrity Foundation has become aware of these fraudulent activities and has decided to take firm legal action against the culprits. The foundation is determined to ensure the highest punishment for these fraudsters. Any form of deception involving the martyrs or their families will not be tolerated, and the foundation is resolute in not sparing the perpetrators under any circumstances. The foundation appeals to martyr families and the public to remain vigilant and not be influenced by the temptations or false promises of these conspiratorial groups. If martyr families face any issues or difficulties, they are urged to report them directly to the foundation without delay. The July Shaheed Smrity Foundation is always committed to standing by your side and resolving your problems. With unwavering respect for the sacrifices of the martyrs, the foundation continues its dedicated efforts to support their families and work for their welfare. Let us unite to uphold the honor of our martyrs and stand strong against any conspiracies that seek to undermine their legacy.
Your support can bring hope and relief to families affected by the July Revolution. Scan the QR code or use the phone number below to make an online transfer. Every contribution helps transform lives and honors the sacrifices made.